Skip to main content

Posts

টাচ স্ক্রিনের ইতি টানছে গুগল? ইশারাতেই চলবে কাজ

ডিজিটাল স্ক্রিনে আঙুলের স্পর্শে কাজ করার দিনও খুব শিগগিরই নম্বর ঘুরিয়ে ফোন করার মতো পুরনো হয়ে যাবে। যদি গুগল পরিকল্পনার পথে এগোতে থাকে, তবে স্মার্টফোন-ট্যাব বা অন্য কোনো স্ক্রিন কোনোদিন হাতের স্পর্শ পাবে না। গুগলের গবেষণাগার তাদের ভবিষ্যতের প্রজেক্ট দেখিয়েছে। সেখানে বাতাসে আঙুলের ইশারাতে ভার্চুয়াল দুনিয়ার যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ প্রজেক্টকে 'সোলি' বলে ডাকছেন তারা। আঙুলের মাইক্রো মোশনে বাতাসে রাডার ওয়েভের ব্যবহারে ডিজিটাল পর্দায় যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে। 'মাইনোরিটি রিপোর্ট'-এর মতো সায়েন্স ফিকশন ছবিতে এ ধরনের কাজ করতে দেখা যায়। সিনেমার কাহিনী বাস্তব হতে চলেছে গুগলের হাত ধরে। গুগলে অ্যাডভান্সড টেকনলজি অ্যান্ড প্রজেক্টস ল্যাব-এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ চলছে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে যার পরিচালনায় রয়েছেন রেজিনা ডুগান। 'সোলি' প্রযু্‌ক্তির একটি প্রোটোটাইপ দেখিয়েছে গুগল যা সবার নজর কেড়েছে। বুড়ো আঙুল ও তর্জনির ব্যবহারে চিমটি কাটা বা নির্দিষ্ট গতিতে তাদের ঘর্ষণের মাধ্যমে পর্দায় অনেক নির্দেশ পাঠানো যায়। ডেমো-তে গুগলের প্রজেক্ট সোলি'র প্রতিষ্ঠাতা আইভান ...

তোমরা যারা ‘জিপিএ ফাইভ’ পাওনাই!

ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেল আমি মোট ৫ বিষয়ে লেটার পেয়ে এসএসসি পাশ করেছি। তার মধ্যে আবার অংকে ৯৫! ‘এইটা কীভাবে সম্ভব?’ - শুধু এই ক্ষোভে আমার বেশ ক’জন ছোটবেলার বন্ধু আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিলো। কী যে অপরাধবোধ লাগছিলো নিজের কাছে? পাঁচ বিষয়ে লেটারের দরকারটা কী ছিলো? তার চেয়ে বন্ধুইতো ভাল! নয়?  তারপর এইচএসসি’তে ফলাফলের পতন হলো। প্রথম বিভাগে পাশ করলেও যেহেতু মাত্র দুইটাতে লেটার পেলাম, অতএব সবাই বিরাট মন খারাপ করলো। পরিবারের সবাই এই সিদ্ধান্তে উপণীত হল যে, ‘আমি শেষ’! তারপর ‘পয়েন্ট তিনে’র ব্যবধানে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমার্স ফ্যাকাল্টিতে চান্স পেলামনা, ততক্ষণে আমি বুঝলাম যে, আমার পায়ের নিচের সব মাটি মোটামুটি নাড়াচাড়া করতেছে, এবং আমি অবশ্যই শেষ….!  এই খারাপ রেজাল্টটা অব্যাহত রাখলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সেমেস্টারে দুই বিষয়ে ‘এফ গ্রেড’ পেয়ে দ্বিতীয় সেমেস্টারে ওঠলাম। তবে শেষমেষ এই রেজাল্টের প্রভূত উন্নতি হয়েছে এবং অনার্সের শেষে দেখা গেল সিজিপিএ ৩ এর বেশ ওপরে। মাস্টার্সে আরো ভালো রেজাল্ট! কেমনে কী হলো, সেই প্রসঙ্গে না যাই! ভেবে দেখলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি যে কাজটা কদাচিৎ করেছি স...

হাবুর অফিস এবং জুতার গল্প । রম্য

হাবু আজ সকাল সকাল নাস্তা খেয়ে জুতা টাইট করে বেধে রওনা হলো অফিসে যাবার জন্যে । তার অফিস ১১ টায় শুরু হবে । সে তড়িঘড়ি করে বের হতে দেরী করে ফেলেছে । এখন সকাল ৭ টা বাজে । নির্ঘাত অফিসে লেট হয়ে যাবে আজ । যাই হোক তাও বের হওয়া গেছে তা নাহলে আজ আর অফিসে যাওয়াই হতো না । গত সপ্তাহে পুরোনো একজোড়া জুতার কারনেই তার অফিসে যাওয়া হয়নি । একটা বিআরটিসি বাস টার্গেট করে লাফ দিতেই জুতা আটকে গেল ম্যানহোলের ঢাকলায় । ব্যাস আর বাসটায় ওঠা গেল না । হাবলু তারপরে আশা ছাড়েনি । আরো দুই ঘন্টা ধরে রাস্তায় ছিলো কিন্তু পরের বাস গুলিকে সে তার টার্গেটে পরিনত করতে পারেনী । তখনি ডিসিশন নিয়েছে আগামি সপ্তাহেই সে নতুন বুট জুতা কিনবে । যে জুতা পরলে টার্গেট করা বাস ফসকে যাবে না । লোকে জুতার মাড়া খেয়ে সরে যাবে । সব জল্পনা কল্পনা শেষে আজ সেই শুভদিন । আজ সে বুট জুতা পরে বের হয়েছে । আজ তাকে রুখবে কে ? সবচেয়ে ভাল হতো জুতার দুপাশে দুটি করে সুচালে দাত রাখতে পারলে । তবে এখন যা আছে তাই বা কম কিসে । 'বুদ্ধিমান ব্যাক্তি আটকে থাকেনা', এই প্রবাদটি আজকে আবারো সত্যি প্রমানিত হলো । সে প্রায় আধকিলো দুর হতে দেখলো রংচটা লাল রংএর বাসটি কচ...

ক্ষুধার তালিকায় শীর্ষে ভারত

স্মার্ট সিটি, মেক ইন ইন্ডিয়া আর যোগে রোগ বিয়োগের দাওয়াই যতই নরেন্দ্র মোদdd দিন না কেন, বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের তালিকায় ভারত এখন এক নম্বরে। বৃহস্পতিবার জাতিসঙ্ঘের প্রকাশ করা ‘বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তার হালচিত্র, ২০১৫’ শীর্ষক একটি রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯ কোটি ৪৬ লাখ ক্ষুধিত মানুষ নিয়ে প্রথমে রয়েছে ভারত। এর পরেই রয়েছে লাতিন আমেরিকা ও আফ্রিকার একাধিক দেশ। ওই রিপোর্ট বলছে, ১৯৯০-৯২-এ গোটা বিশ্বে যেখানে ক্ষুধার্তের সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি, সেখানে বছর তেইশেক বাদে তার হার তুলনামূলকভাবে কমেছে। ২০১৪-১৫-এ তা এসে দাঁড়িয়েছে ৭৯ কোটি ৫০ লাখে। এর মধ্যে ক্ষুধার্তের সংখ্যা আনুপাতিকভাবে অনেক কমেছে পূর্ব এশিয়ায়। তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে চীন। অথচ পূর্ব পরিসংখ্যান অনুযায়ী চীনেই ছিল সবথেকে বেশি ক্ষুধার্ত মানুষ। চীন যেখানে ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করে এতদূর অগ্রসর হয়েছে, সেখানে ভারতের ছবিটি মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। যদিও ভারতে ক্ষুধার্তের সংখ্যা কমেছে। যেখানে ১৯৯০-১৯৯২ সালে ক্ষুধার্তের সংখ্যা ছিল ২১ কোটি সেখানে ২০১৪-১৫ সালে কমে হয়েছে ১৯ কোটি ৪৬ লাখ।

৫৫ কোটির বিদ্যুৎ বিল!

পরিবারটি সদস্য সংখ্যা ৫, শোবার ঘর দুটি। বাড়িতে নেই এসিও। এছাড়া গরমকালে এলাকাজুড়ে লোডশেডিং তো লেগেই আছে। এমন এক পরিবারে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৫৫ কোটি রুপি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাঁচিতে। কৃষ্ণ প্রসাদ নামের ওই ভদ্রলোক বিয়েবাড়ি গিয়েছিলেন সপরিবারে। সম্প্রতি সেখান থেকে রাঁচিতে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন । রাঁচিতে ফিরে দেখেন চলে এসেছে ইলেকট্রিক বিল। কিন্তু, তার অঙ্কে আপাতত মাথায় হাত গোটা পরিবারের। এক, দুই নয় একেবারে ৫৫ কোটির ইলেকট্রিক বিল! এও সম্ভব! নাওয়া-খাওয়া ভোলার জোগাড় হয়েছে পরিবারের। কৃষ্ণ প্রসাদ জানিয়েছেন তার বাড়িতে বৃদ্ধ মা রয়েছে। এই খবরে তার হার্ট অ্যাটাক হওয়ার অবস্থা হয়েছিল। বিদ্যুৎ দফতরের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষ্ণবাবু। পরিবারের সদস্য রয়েছেন পাঁচজন। রাঁচির কাদরু এলাকায় তাদের বাড়ি। দুটি শোবার ঘর রয়েছে।  ঝাড়খণ্ড ইলেকট্রিসিটি বিভাগ স্বীকার করে নিয়েছে, কর্মীদের ভুলেই এই ঘটনা। ইতিমধ্যে দফতরের দু’জনকে সাসপেন্ডও করা হয়েছে।

১৫ বছর ধরে পুতুলের সঙ্গে ঘর-সংসার! (ভিডিও)

পুতুলের সাথে কি কখনো সংসার করা যায়? তাও আবার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে! বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যিই পৃথিবীতে রয়েছে এমন মানুষ যে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রীতিমত সংসার করছে পুতুলের সাথে! যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের এক ‘টেকনোসেক্সুয়াল’ ব্যক্তি সিনথেটিক একটি পুতুলের সঙ্গে সুখেই সংসার করছেন দীর্ঘ ১৫ বছর! শুধু তাই নয়, মানুষের অসামঞ্জস্য আচরণের সাথে তাল মিলিয়ে চলার থেকে পুতুলের সাথে সংসার করাকেই অনেক উত্তম বলে মনে করেন তিনি। এই অদ্ভুত ব্যক্তির নাম ডেভক্যাট। বয়স ৪০ বছর। তিনি পুতুলের অধিকার রক্ষা ও পুতুলের সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে নিজেকে একজন সচেতন কর্মীও মনে করেন। পুতুলের সঙ্গে সংসারের বিষয়টি তিনি সমাজে ছড়িয়ে দিতে চান। মানুষের মতো সিডোর কুরোনেকো নামের ওই স্ত্রী পুতুলটি কল্পিত একজন মেয়ের আঙ্গিকে বানানো। জেনে ভীষণ অবাক হবেন যে মনের মতো সিনথেটিক স্ত্রী বানাতে তিনি ব্যয় করেছেন ৬ হাজার ডলার! শুধু তাই নয়, গাঁটছড়া বাঁধার ১৫তম বার্ষিকীটি স্মরণীয় করে রাখার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিশেষ কিছু করার। টিএলসি’র একটি অনুষ্ঠান ‘মাই স্ট্রেঞ্জ অ্যাডিকশন’ ও বিবিসি’র ডকুমেন্টারি ‘গাই...

টাকা গাছের খোঁজ মিলেছে

কথায় বলে, টাকা কি গাছে ধরে? হ্যাঁ, গাছেই ধরেছে। শিরোনাম দেখে অনেকের চক্ষু ছানাবড়া হয়ে গেছে, অনেকের হয়তো রাগ হচ্ছে! তবে সত্ত্যি বলতে কি? গাছটি দেখলে হয়তো আপনারও এমনই মনে হবে। সম্প্রতি, ইংল্যান্ডে এমনই একটি টাকার গাছের সন্ধান মিলেছে।(tree-final)। ইংল্যান্ডের কয়েক হাজার পর্যটক ‘ইচ্ছাপূরণ গাছ’ তৈরি করেছেন। এই ‘ইচ্ছাপূরণ গাছ’ কে অবশ্য এখন অনেকেই টাকার গাছ হিসেবে উল্লেখও করছেন। মানুষের ধারণা, এই গাছে টাকা লাগিয়ে রাখলে মনের সব আশা আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়। আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে তাই গাছের গায়ে হাতুড়ি দিয়ে খোদাই করে মুদ্রা রাখেন পর্যটকরা। ফলে গাছটির বাকলে শুধু টাকা আর টাকা। তাই অনেকে এই গাছকে টাকার গাছ হিসেবেই ডাকছেন। কোনও পথচারী কিংবা পর্যটক ওই গাছের সামনে আসলে এই টাকার গাছে নিজের ইচ্ছা পূরণের সদিচ্ছায় গুঁজে দিচ্ছেন টাকা। এভাবে প্রতিটা গাছ পথচারীর গোপন ইচ্ছা এবং স্বপ্ন পূরণের আশা নিয়ে যেন দাঁড়িয়ে আছে। এ ধরনের গাছ ইংল্যান্ডের কাম্ব্রিয়া এবং পোর্টমেরিয়ন অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। বিবিসি সূত্রে জানা যায়, ১৭০০ সালের দিকে সুইডিশ লোকজন তাদের অসুস্থতা আরোগ্য লাভের আশায় গাছে মুদ্রা খোদাই করতেন। তবে ...