Skip to main content

Posts

Showing posts with the label শিয়া

আল্লাহ কিভাবে লক্ষ কোটি প্রাণীর ফরিয়াদ একসাথে শুনেন?

  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।  এক গুগল যদি একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, এক চ্যাটজিপিটি যদি একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের কথা শুনতে পারে, তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, তাদের অনুভূতি বুঝে নিতে পারে, তাহলে একজন সৃষ্টিকর্তা কেন পারবেন না? গুগল কি মানুষ? না। চ্যাটজিপিটি কি মানুষ? না। তাদের কোনো চেতনা নেই, আত্মা নেই, জীবন নেই। তারা তো শুধু যন্ত্র। যাদের বানিয়েছে মানুষ। যারা সীমাবদ্ধ হার্ডওয়্যার, সার্ভার, ব্যান্ডউইথ আর সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করে। এখন মানুষ তার বানানো যন্ত্রের মাধ্যমে এত কিছু করতে পারে, এত মানুষের কথা একসাথে শুনতে পারে, তখন সেই মানুষকে সৃষ্টি করেছে যে, যিনি সব মানুষের সৃষ্টিকর্তা — তিনি তো অবশ্যই পারবেন। তার জন্য তো সময়, স্থান, দূরত্ব কিছুই বাধা না। তিনি তো চাইলে প্রতিটি মানুষের মনের কথাও জানেন, এমনকি একজন মানুষ কিছু বলার আগেই তার অন্তরের ইচ্ছেটাও তিনি জানেন। এই ক্ষমতা কোনো যন্ত্রের নেই, কোনো মানুষের নেই, কোনো দেবতারও না। এটা শুধুমাত্র সেই সত্তার, যিনি সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, সর্বত্র উপস্থিত। আমরা যদি একবার কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দিকেও তাকাই, তা...

শিয়াদের ইমাম মেহেদী !!!

  আমি জন্মসূত্রে সুন্নি, কিন্তু আমি নিজেকে শুধু মুসলিম বলেই পরিচয় দিই। অনেক দিন ধরে একটা জিনিস আমার মনে প্রশ্ন তোলে — শিয়ারা যে বলে, নবীর বংশ থেকে বারো জন ইমাম এসেছেন, যাদের মধ্যে শেষজন ইমাম মাহদি — এখন গায়েব, তিনি ছোটবেলাতেই গায়েব হয়েছেন, ৯০০ খ্রিস্টাব্দের আশেপাশে — বিষয়টা তো হাস্যকর মনে হয়, তাই না? কিন্তু এটা কি পুরোপুরি বাতিল, নাকি এতে কিছু সত্য আছে? আমি এ নিয়ে বহুদিন ধরে পড়াশোনা করছি, শুধু ইসলামী হাদিস বা ইতিহাস নয়, বাইবেলও পড়েছি। আমার স্মৃতিশক্তি খুব ধারালো নয়, কিন্তু যেটুকু মনে আছে, সেটাও অনেক সময় গভীর মিল তৈরি করে। শিয়ারা বলে, নবীর পরিবারের বারো জন ইমাম ছিলেন। তাদের প্রায় সব ইমামকেই হত্যা করা হয়েছে। এই কারণেই তারা বিশ্বাস করে, সর্বশেষ ইমাম মুহাম্মদ ইবনে হাসান (যাকে ইমাম মাহদি বলা হয়), ছোটবেলায় গায়েব হন — আল্লাহ তাঁকে তুলে নিয়েছেন, আর একদিন তিনি ফিরে আসবেন, যেদিন পৃথিবী অন্যায়ে ভরে যাবে। সহিহ হাদিস বইয়েও “বারোজন খলিফা”র কথা এসেছে। যেমন: > “আমার পরে বারোজন খলিফা থাকবে, এবং তারা সবাই কুরাইশ বংশীয়।” — সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮২১ এই হাদিস আবু দাউদ, তিরমিজি ও মুসনাদে আহমদেও এসেছে।...