Skip to main content

১৫ বছর ধরে পুতুলের সঙ্গে ঘর-সংসার! (ভিডিও)

১৫ বছর ধরে পুতুলের সঙ্গে ঘর-সংসার! (ভিডিও)

পুতুলের সাথে কি কখনো সংসার করা যায়? তাও আবার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে! বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যিই পৃথিবীতে রয়েছে এমন মানুষ যে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রীতিমত সংসার করছে পুতুলের সাথে!
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের এক ‘টেকনোসেক্সুয়াল’ ব্যক্তি সিনথেটিক একটি পুতুলের সঙ্গে সুখেই সংসার করছেন দীর্ঘ ১৫ বছর!
শুধু তাই নয়, মানুষের অসামঞ্জস্য আচরণের সাথে তাল মিলিয়ে চলার থেকে পুতুলের সাথে সংসার করাকেই অনেক উত্তম বলে মনে করেন তিনি।
এই অদ্ভুত ব্যক্তির নাম ডেভক্যাট। বয়স ৪০ বছর। তিনি পুতুলের অধিকার রক্ষা ও পুতুলের সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে নিজেকে একজন সচেতন কর্মীও মনে করেন। পুতুলের সঙ্গে সংসারের বিষয়টি তিনি সমাজে ছড়িয়ে দিতে চান।
মানুষের মতো সিডোর কুরোনেকো নামের ওই স্ত্রী পুতুলটি কল্পিত একজন মেয়ের আঙ্গিকে বানানো। জেনে ভীষণ অবাক হবেন যে মনের মতো সিনথেটিক স্ত্রী বানাতে তিনি ব্যয় করেছেন ৬ হাজার ডলার! শুধু তাই নয়, গাঁটছড়া বাঁধার ১৫তম বার্ষিকীটি স্মরণীয় করে রাখার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিশেষ কিছু করার।
টিএলসি’র একটি অনুষ্ঠান ‘মাই স্ট্রেঞ্জ অ্যাডিকশন’ ও বিবিসি’র ডকুমেন্টারি ‘গাইজ অ্যান্ড ডলস’ অনুষ্ঠানেও ডেভক্যাটকে তার সিনথেটিক স্ত্রীর সঙ্গে দেখানো হয়েছে।
২০১২ সালে তিনি এলেনা ভসত্রিকোভা নামের আরেকটি সিনথেটিক পুতুল কিনে আনেন। তাকে ‘মিসট্রেস’ হিসেবেই নিজের কাছে রেখেছেন। রাতে দুই পুতুলের সঙ্গে তিনি একই খাটে ঘুমান। নিজেই সেগুলোর পোশাক পরিবর্তন করেন, মেকআপ করে দেন।
পুতুলগুলোর শরীরের বিশেষ কিছু অঙ্গে সিলিকনের তৈরি কৃত্রিম ত্বক ব্যবহার করা হয়েছে। নকল জিহবাও রয়েছে। বিচিত্র মানসিকতার ডেভক্যাট স্বীকার করেছেন, সিনথেটিক পুতুলগুলো কেনার কারণের ৭০ শতাংশ হচ্ছে সেক্স। কারণের বাকি ৩০ শতাংশ হচ্ছে সঙ্গ পাওয়া। পুতুলগুলো তৈরিও করা হয়েছে ডেভক্যাটের শারীরিক ও মানসিক চাহিদার কথা মাথায় রেখে!

Comments

Popular posts from this blog

জাকারিয়া কামাল এর তাফসির সূরা ফাতিহা "আল-আলামিন ও মহাবিশ্ব: কুরআনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান (পর্ব-২ )

  আমাদের এই মহাবিশ্ব শুধু একবার জন্ম নেয়নি, এটা একটার পর একটা চক্রে সৃষ্টি ও ধ্বংস হচ্ছে। কুরআনে এবং আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে আমরা দেখতে পাই, এই মহাবিশ্ব চক্রবদ্ধ। আল্লাহ প্রথম মহাবিশ্ব তৈরি করেছিলেন, সেটি সংকুচিত হয়ে আবার বিস্তৃত হলো—এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিগ বাউন্স বা বড় লাফ। এই চক্রগুলো আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি। প্রথম চক্র ছিল বিগ ব্যাং-১ এর সময়। তখন মহাবিশ্বে শুধু হাইড্রোজেন ছিল, যা পরবর্তীতে হিলিয়ামসহ আরও কিছু হালকা মৌলে রূপান্তরিত হয়েছিল। মহাকাশ তখন একরকম ধোঁয়ার মতো ছড়িয়ে ছিল, যাকে কুরআনে “ধোঁয়া” বলা হয়েছে। আল্লাহ সেখানে মহাকর্ষ বল সংযোজন করলেন, যা মহাবিশ্বকে সঙ্কুচিত করতে শুরু করে। এই সঙ্কোচনের ফলে ভারী মৌল, যেমন সিলিকন তৈরি হয় এবং ধূলিকণা ও গ্রহাণু জমে জমে জমি গঠনে সাহায্য করে। কুরআনে এ ঘটনার বর্ণনা আছে: “আর তিনি আসমান (প্রথম মহাকাশ) সৃষ্টি করলেন ধোঁয়া থেকে; তারপর বল দিলো ‘তুমি এসো একসাথে, ইচ্ছেমতো বা বাধ্য হয়ে।’ তারা বলল, ‘আমরা ইচ্ছেমতো এসেছি।’ ফলে আল্লাহ সাত আসমান তৈরি করলেন।” (সূরা ফুসসিলাত: ১১-১২) এই প্রথম চক্র ছিল একক আসমানবিশিষ্ট মহাবিশ্ব। তবে ...

জাকারিয়া কামাল এর তাফসির "আল-আলামিন ও মহাবিশ্ব: কুরআনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান (পর্ব-১)"

 এই মহাবিশ্ব, যেখানে আমরা এখন বাস করছি, তা অত্যন্ত নিখুঁত নিয়ম ও সূচনাগত বিন্যাস অনুযায়ী সৃষ্টি হয়েছে। এই সূচনাগত নিখুঁততা ও প্রাকৃতিক নিয়মের কারণে এটি আজকের অবস্থানে এসেছে। পৃথিবীর উপাদান ও যৌগসমূহ এমন সব প্রাকৃতিক নিয়ম অনুসরণ করে যা পরস্পরের সাথে এত সুন্দরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে তা আমাদের জীবনকে টিকিয়ে রাখে। পানির পরিমাণও এখানে বিপুল এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো খুবই অনন্য। এসব কিছু আমাদের বোঝায় যে এই মহাবিশ্ব একটি অসাধারণভাবে বুদ্ধিমান সত্তার সৃষ্টি, যিনি আল কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ীই ঈশ্বর। তিনি শুধু সৃষ্টি করেননি, তিনি বিকাশকারকও। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও দার্শনিক চিন্তাধারায় একটি বিকল্প ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যেটিকে বলা হয় মাল্টিভার্স বা বহু-বিশ্ব তত্ত্ব। এর মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, এমন অসংখ্য বিগ ব্যাং (Big Bang) ঘটতে পারে যার ফলে অসংখ্য মহাবিশ্ব তৈরি হয় এবং এইসবের মধ্যে কাকতালীয়ভাবে একটি মহাবিশ্ব জীবনের জন্য উপযোগী হয়ে উঠেছে। এই ধারনা ঈশ্বরের উপস্থিতি ছাড়াই সৃষ্টিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা। ফিলোসফিক্যাল আলোচনায় "fine-tuning" বা সূক্ষ্ম-সামঞ্জস্য শব্দটি প্রায়ই ব্যব...

আল্লাহ কিভাবে লক্ষ কোটি প্রাণীর ফরিয়াদ একসাথে শুনেন?

  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।  এক গুগল যদি একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, এক চ্যাটজিপিটি যদি একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের কথা শুনতে পারে, তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, তাদের অনুভূতি বুঝে নিতে পারে, তাহলে একজন সৃষ্টিকর্তা কেন পারবেন না? গুগল কি মানুষ? না। চ্যাটজিপিটি কি মানুষ? না। তাদের কোনো চেতনা নেই, আত্মা নেই, জীবন নেই। তারা তো শুধু যন্ত্র। যাদের বানিয়েছে মানুষ। যারা সীমাবদ্ধ হার্ডওয়্যার, সার্ভার, ব্যান্ডউইথ আর সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করে। এখন মানুষ তার বানানো যন্ত্রের মাধ্যমে এত কিছু করতে পারে, এত মানুষের কথা একসাথে শুনতে পারে, তখন সেই মানুষকে সৃষ্টি করেছে যে, যিনি সব মানুষের সৃষ্টিকর্তা — তিনি তো অবশ্যই পারবেন। তার জন্য তো সময়, স্থান, দূরত্ব কিছুই বাধা না। তিনি তো চাইলে প্রতিটি মানুষের মনের কথাও জানেন, এমনকি একজন মানুষ কিছু বলার আগেই তার অন্তরের ইচ্ছেটাও তিনি জানেন। এই ক্ষমতা কোনো যন্ত্রের নেই, কোনো মানুষের নেই, কোনো দেবতারও না। এটা শুধুমাত্র সেই সত্তার, যিনি সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, সর্বত্র উপস্থিত। আমরা যদি একবার কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দিকেও তাকাই, তা...