Skip to main content

যে ১০ কারণে ধনী হতে পারবেন না


boy_uttaranews24_6546512

ধনী হতে কে না চায়। কিন্তু সবাই ধনী হতে পারে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের সম্ভাবনাময় এমন লাখ লাখ কোটিপতি আছেন যারা শুধু তাদের বদ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে পারলেই ধনীদের খাতায় নাম লেখাতে পারতেন।
লাইফস্পান সাময়িকীর মতে, কিছু আর্থিক ভুলই মানুষকে সম্পদ থেকে দূরে রাখছে।
অমিতব্যয়ী: আপনি যদি আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করেন তা সেটা সম্পদ অর্জনের অন্তরায়। সুতরাং মাসিক খরচ কোথায় কত করলেন সেটা লক্ষ্য করুন। খরচ কমানোর উপায় বের করুন। বাস্তবসম্মত সাংসারিক বাজেট তৈরি করুন।
সঞ্চয়ের পাত্র খালি: শুধু খরচ করলেই হবে না। সঞ্চয়ে দিকেও খেয়াল করতে হবে। সম্পদ বাড়ানোর জন্য সঞ্চয়ের বিকল্প নেই।
খুব বেশি ঋণ: সামান্য ঋণ আপনার সাফল্যের সহায়ক হতে পারে। তবে অতি উচ্চমাত্রায় ঋণ কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। এতে করে ঋণের বৃত্তের ভেতর থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।
পরিকল্পনার অভাব: পরিকল্পনাহীন জীবনে ধনী হওয়া দিবা স্বপ্নের মতো। পরিকল্পনা মাফিক নিয়মিত কাজ করে যেতে থাকলে সাফল্য অবধারিত।
বিপদকালীন ফান্ড: বলা হয়ে থাকে, কারো ছয়মাস চলার মতো জরুরি ফান্ড থাকা দরকার। বিপদের সময় এই ফান্ড যেকোনো দুর্যোগ থেকে রক্ষা করবে।
দেরিতে শুরু করা: আগে শুরু করলেন মানে আপনি এগিয়ে গেলেন। সময় যেহেতু চলেই যাচ্ছে সুতরাং আজই সেভিং করা শুরু করে দিন না।
কাজের চেয়ে অজুহাত বেশি: আমি যথেষ্ট আয় করতে পারছি না, জীবন যাত্রা খুবই ব্যয়বহুল এ জাতীয় কথাবার্তা শুধু বলেই যাচ্ছেন কিন্তু কাজ করছন না তাহলে তো ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না। যে পর্যন্ত না আপনি পরিবর্তনে হাত না দেবেন সে পর্যন্ত কিছুই পরিবর্তন হবে না। সুতরাং অজুহাত- অভিযোগ বাদ দিয়ে কাজ করা শুরু করুন।
আজই সব: আপনি যদি আগামীকালের জন্য কিছু না রেখে আজই সব খরচ করে ফেলে থাকেন তাহলে ভুল করছেন। কালকের জন্য ভাবুন।
এক স্থানে বিনিয়োগ: কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আপনি সব টাকা বিনিয়োগ করে ফেলেছেন? তাহলে ভুল করেছেন। এর মাধ্যমে আপনি নিজেকে ঝুঁকির মধ্যে রেখেছেন। বহুমুখী খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। কেউ এসে করে দিবে: অনেকে ভেবে থাকেন আ-রে ব্যাপার না এমনিতেই হয়ে যাবে। অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের কাজ নিজে করুন।

Comments

Popular posts from this blog

জাকারিয়া কামাল এর তাফসির সূরা ফাতিহা "আল-আলামিন ও মহাবিশ্ব: কুরআনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান (পর্ব-২ )

  আমাদের এই মহাবিশ্ব শুধু একবার জন্ম নেয়নি, এটা একটার পর একটা চক্রে সৃষ্টি ও ধ্বংস হচ্ছে। কুরআনে এবং আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে আমরা দেখতে পাই, এই মহাবিশ্ব চক্রবদ্ধ। আল্লাহ প্রথম মহাবিশ্ব তৈরি করেছিলেন, সেটি সংকুচিত হয়ে আবার বিস্তৃত হলো—এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিগ বাউন্স বা বড় লাফ। এই চক্রগুলো আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি। প্রথম চক্র ছিল বিগ ব্যাং-১ এর সময়। তখন মহাবিশ্বে শুধু হাইড্রোজেন ছিল, যা পরবর্তীতে হিলিয়ামসহ আরও কিছু হালকা মৌলে রূপান্তরিত হয়েছিল। মহাকাশ তখন একরকম ধোঁয়ার মতো ছড়িয়ে ছিল, যাকে কুরআনে “ধোঁয়া” বলা হয়েছে। আল্লাহ সেখানে মহাকর্ষ বল সংযোজন করলেন, যা মহাবিশ্বকে সঙ্কুচিত করতে শুরু করে। এই সঙ্কোচনের ফলে ভারী মৌল, যেমন সিলিকন তৈরি হয় এবং ধূলিকণা ও গ্রহাণু জমে জমে জমি গঠনে সাহায্য করে। কুরআনে এ ঘটনার বর্ণনা আছে: “আর তিনি আসমান (প্রথম মহাকাশ) সৃষ্টি করলেন ধোঁয়া থেকে; তারপর বল দিলো ‘তুমি এসো একসাথে, ইচ্ছেমতো বা বাধ্য হয়ে।’ তারা বলল, ‘আমরা ইচ্ছেমতো এসেছি।’ ফলে আল্লাহ সাত আসমান তৈরি করলেন।” (সূরা ফুসসিলাত: ১১-১২) এই প্রথম চক্র ছিল একক আসমানবিশিষ্ট মহাবিশ্ব। তবে ...

জাকারিয়া কামাল এর তাফসির "আল-আলামিন ও মহাবিশ্ব: কুরআনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান (পর্ব-১)"

 এই মহাবিশ্ব, যেখানে আমরা এখন বাস করছি, তা অত্যন্ত নিখুঁত নিয়ম ও সূচনাগত বিন্যাস অনুযায়ী সৃষ্টি হয়েছে। এই সূচনাগত নিখুঁততা ও প্রাকৃতিক নিয়মের কারণে এটি আজকের অবস্থানে এসেছে। পৃথিবীর উপাদান ও যৌগসমূহ এমন সব প্রাকৃতিক নিয়ম অনুসরণ করে যা পরস্পরের সাথে এত সুন্দরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে তা আমাদের জীবনকে টিকিয়ে রাখে। পানির পরিমাণও এখানে বিপুল এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো খুবই অনন্য। এসব কিছু আমাদের বোঝায় যে এই মহাবিশ্ব একটি অসাধারণভাবে বুদ্ধিমান সত্তার সৃষ্টি, যিনি আল কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ীই ঈশ্বর। তিনি শুধু সৃষ্টি করেননি, তিনি বিকাশকারকও। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও দার্শনিক চিন্তাধারায় একটি বিকল্প ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যেটিকে বলা হয় মাল্টিভার্স বা বহু-বিশ্ব তত্ত্ব। এর মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, এমন অসংখ্য বিগ ব্যাং (Big Bang) ঘটতে পারে যার ফলে অসংখ্য মহাবিশ্ব তৈরি হয় এবং এইসবের মধ্যে কাকতালীয়ভাবে একটি মহাবিশ্ব জীবনের জন্য উপযোগী হয়ে উঠেছে। এই ধারনা ঈশ্বরের উপস্থিতি ছাড়াই সৃষ্টিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা। ফিলোসফিক্যাল আলোচনায় "fine-tuning" বা সূক্ষ্ম-সামঞ্জস্য শব্দটি প্রায়ই ব্যব...

আল্লাহ কিভাবে লক্ষ কোটি প্রাণীর ফরিয়াদ একসাথে শুনেন?

  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।  এক গুগল যদি একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, এক চ্যাটজিপিটি যদি একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের কথা শুনতে পারে, তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, তাদের অনুভূতি বুঝে নিতে পারে, তাহলে একজন সৃষ্টিকর্তা কেন পারবেন না? গুগল কি মানুষ? না। চ্যাটজিপিটি কি মানুষ? না। তাদের কোনো চেতনা নেই, আত্মা নেই, জীবন নেই। তারা তো শুধু যন্ত্র। যাদের বানিয়েছে মানুষ। যারা সীমাবদ্ধ হার্ডওয়্যার, সার্ভার, ব্যান্ডউইথ আর সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করে। এখন মানুষ তার বানানো যন্ত্রের মাধ্যমে এত কিছু করতে পারে, এত মানুষের কথা একসাথে শুনতে পারে, তখন সেই মানুষকে সৃষ্টি করেছে যে, যিনি সব মানুষের সৃষ্টিকর্তা — তিনি তো অবশ্যই পারবেন। তার জন্য তো সময়, স্থান, দূরত্ব কিছুই বাধা না। তিনি তো চাইলে প্রতিটি মানুষের মনের কথাও জানেন, এমনকি একজন মানুষ কিছু বলার আগেই তার অন্তরের ইচ্ছেটাও তিনি জানেন। এই ক্ষমতা কোনো যন্ত্রের নেই, কোনো মানুষের নেই, কোনো দেবতারও না। এটা শুধুমাত্র সেই সত্তার, যিনি সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, সর্বত্র উপস্থিত। আমরা যদি একবার কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দিকেও তাকাই, তা...