Skip to main content

Posts

রহস্যময় যাযাবর গোষ্ঠী "তুয়ারেগ"

""তুয়ারেগ"" বিশ্বের সর্ববৃহৎ মরুভূমি সাহারার এক রহস্যময় উপজাতি গোষ্ঠী এরা। টামাসেক হচ্ছে এদের মাতৃভাষা। কয়েক শতক ধরেই তপ্ত মরুভূমির এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ঘুরে ফিরে জীবন যাপন করছে যাযাবর এই জাতি। মরুভূমিতে পথ হারিয়ে তাদের শরণাপন্ন হওয়া মাত্র এরা আপনাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেবে খুশি মনেই। অন্যসব উপজাতি গোষ্ঠীর মাঝে এদেরকে আলাদা রহস্যময় মনে করার বড় কারন হল, এ সম্প্রদায়ে ছেলেরা বোরকা পরে থাকে। আর মেয়েরা খোলামেলা হয়ে ঘুরে বেড়ায়।  পরিবারের দেখাশোনা ও সম্পদের ক্ষেত্রে মেয়েদের কর্তৃত্বই শেষ কথা। আর এখানে মেয়েরাই কেবল একাধিক বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অধিকার রাখে। এছারাও সবথেকে ধনী হওয়া অন্যান্য গোষ্ঠী থেকে এদের আলাদা করার অন্যতম কারন। সারাক্ষণ নীল কাপড়ে মুখ ঢেকে রাখার কারণে মরুভূমিতে চলাচলকারী মানুষেরা এই গোত্রের পুরুষদের মুখ কখনোই দেখতে পায় না। আর এই মুখ দেখতে না পারার কারণে তারা অন্যান্য গোত্র এবং সারা বিশ্বের কাছে রহস্যময় পুরুষ ‘সাহারার নীল মানব’ নামে পরিচিত। বিয়ের আগে তুয়ারেগ নারীরা অনেক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে পারে। একই ঘটনা পুরুষদের বেল...

জেনে নিন বাংলাদেশী শীর্ষ ১০ ধনীর নাম এবং জানা অজানা অনেক তথ্য…?

বাংলাদেশেও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর এবং বিপুল ধনী ব্যক্তিবর্গ। যারা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রের দ্বারা এই দেশকে অনেক বড় স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছেন। চলুন শীর্ষ ১০ বাংলাদেশী ধনী ব্যক্তির সাথে পরিচিত হওয়া যাক। ১. মূসা বিন শমসেরঃ তিনি প্রিন্স মূসা নামে পরিচিত। তাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি বাণিজ্যের অগ্রদূত বলা হয়। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের এর মালিক। তিনি প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। ২. সালমান এফ রহমানঃ বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। ৩. আহমেদ আকবর সোবহানঃ তিনি হচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। ৪. এম এ হাশেমঃ তিনি পারটেক্স গ্রুপ ও ইউসিবিএল ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। ৫. আজম জে চৌধুরীঃ তিনি ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সোল এজেন্ট। তিনি প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। ৬. গিয়াস উদ্দিন আল মামুনঃ তিনি তারেক জিয়ার বন্ধু। তিনি রিয়েল স্টেট, হোটেল ও মিডিয়া ব্যবসায়ী। ৭. রাগিব আলীঃ তিনি চা উৎপাদন ব্যাবসায় সফ...

যে ১০ কারণে ধনী হতে পারবেন না

ধনী হতে কে না চায়। কিন্তু সবাই ধনী হতে পারে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের সম্ভাবনাময় এমন লাখ লাখ কোটিপতি আছেন যারা শুধু তাদের বদ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে পারলেই ধনীদের খাতায় নাম লেখাতে পারতেন। লাইফস্পান সাময়িকীর মতে, কিছু আর্থিক ভুলই মানুষকে সম্পদ থেকে দূরে রাখছে। অমিতব্যয়ী: আপনি যদি আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করেন তা সেটা সম্পদ অর্জনের অন্তরায়। সুতরাং মাসিক খরচ কোথায় কত করলেন সেটা লক্ষ্য করুন। খরচ কমানোর উপায় বের করুন। বাস্তবসম্মত সাংসারিক বাজেট তৈরি করুন। সঞ্চয়ের পাত্র খালি: শুধু খরচ করলেই হবে না। সঞ্চয়ে দিকেও খেয়াল করতে হবে। সম্পদ বাড়ানোর জন্য সঞ্চয়ের বিকল্প নেই। খুব বেশি ঋণ: সামান্য ঋণ আপনার সাফল্যের সহায়ক হতে পারে। তবে অতি উচ্চমাত্রায় ঋণ কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। এতে করে ঋণের বৃত্তের ভেতর থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরিকল্পনার অভাব: পরিকল্পনাহীন জীবনে ধনী হওয়া দিবা স্বপ্নের মতো। পরিকল্পনা মাফিক নিয়মিত কাজ করে যেতে থাকলে সাফল্য অবধারিত। বিপদকালীন ফান্ড: বলা হয়ে থাকে, কারো ছয়মাস চলার মতো জরুরি ফান্ড থাকা দরকার। বিপদের সময় এই ফান্ড যেকোনো দুর্যোগ থেকে রক্ষা করবে। দেরিতে শুরু ...

সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজের প্রেমকাহিনীর পেছনের ইতিহাস

সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজের প্রেম কাহিনী বিশ্বের সাড়া জাগানো প্রেম কাহিনীগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাদের মতো এরকম অমর প্রেম কাহিনী আরও অনেক রয়েছে। তবে সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজের প্রেম কাহিনীটি একটি বিশেষ কারণে সাড়া জাগিয়েছে। তা হলে মমতাজের জন্য সম্রাট শাহজাহানের বানানো বিখ্যাত সেই তাজমহল। আজ আমরা তাজমহলের খুঁটিনাটি তথ্য এখানে তুলে ধরবো। সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজের প্রেমের সংক্ষিপ্ত ঘটনা: সময়টা ছিল ১৬১২ খ্রিষ্টাব্দ। সম্রাট শাহজাহানের বয়স তখন ২০ বছর। একদিন আগ্রার বাজার দিয়ে যাওয়ার পথে হঠাৎ শাহজাহানের চোখ চলে যায় পরমা সুন্দরী এক মেয়ের দিকে। আরজুমান্দ বেগম নামের মেয়েটির বয়স ১৫। প্রথম দেখাতেই আরজুমান্দ বেগমকে ভালো লেগে যায় শাহজাহানের। পরবর্তীতে ১৬১২ খ্রিস্টাব্দের ১০ মে মমতাজের বিয়ে হয় যুবরাজ খুররমের (সম্রাট শাহজাহান) সঙ্গে। (কিন্তু উইকিপিডিয়ায় বলা আছে বিয়ের সময় তাদের দুজনের বয়স ছিল যথাক্রমে ১৫ ও ১৪)। তবে এর আগে রাজনৈতিক কারণে পারস্যের রাজকন্যাকে বিয়ে করেন সম্রাট শাহজাহান। পরবর্তীতে সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রীর নাম পরিবর্তন করে রাখেন মমতাজ মহল।মমতাজই ছিলেন শাহজাহানের সব চেয়ে প্রিয়...

টাচ স্ক্রিনের ইতি টানছে গুগল? ইশারাতেই চলবে কাজ

ডিজিটাল স্ক্রিনে আঙুলের স্পর্শে কাজ করার দিনও খুব শিগগিরই নম্বর ঘুরিয়ে ফোন করার মতো পুরনো হয়ে যাবে। যদি গুগল পরিকল্পনার পথে এগোতে থাকে, তবে স্মার্টফোন-ট্যাব বা অন্য কোনো স্ক্রিন কোনোদিন হাতের স্পর্শ পাবে না। গুগলের গবেষণাগার তাদের ভবিষ্যতের প্রজেক্ট দেখিয়েছে। সেখানে বাতাসে আঙুলের ইশারাতে ভার্চুয়াল দুনিয়ার যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ প্রজেক্টকে 'সোলি' বলে ডাকছেন তারা। আঙুলের মাইক্রো মোশনে বাতাসে রাডার ওয়েভের ব্যবহারে ডিজিটাল পর্দায় যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে। 'মাইনোরিটি রিপোর্ট'-এর মতো সায়েন্স ফিকশন ছবিতে এ ধরনের কাজ করতে দেখা যায়। সিনেমার কাহিনী বাস্তব হতে চলেছে গুগলের হাত ধরে। গুগলে অ্যাডভান্সড টেকনলজি অ্যান্ড প্রজেক্টস ল্যাব-এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ চলছে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে যার পরিচালনায় রয়েছেন রেজিনা ডুগান। 'সোলি' প্রযু্‌ক্তির একটি প্রোটোটাইপ দেখিয়েছে গুগল যা সবার নজর কেড়েছে। বুড়ো আঙুল ও তর্জনির ব্যবহারে চিমটি কাটা বা নির্দিষ্ট গতিতে তাদের ঘর্ষণের মাধ্যমে পর্দায় অনেক নির্দেশ পাঠানো যায়। ডেমো-তে গুগলের প্রজেক্ট সোলি'র প্রতিষ্ঠাতা আইভান ...

তোমরা যারা ‘জিপিএ ফাইভ’ পাওনাই!

ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেল আমি মোট ৫ বিষয়ে লেটার পেয়ে এসএসসি পাশ করেছি। তার মধ্যে আবার অংকে ৯৫! ‘এইটা কীভাবে সম্ভব?’ - শুধু এই ক্ষোভে আমার বেশ ক’জন ছোটবেলার বন্ধু আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিলো। কী যে অপরাধবোধ লাগছিলো নিজের কাছে? পাঁচ বিষয়ে লেটারের দরকারটা কী ছিলো? তার চেয়ে বন্ধুইতো ভাল! নয়?  তারপর এইচএসসি’তে ফলাফলের পতন হলো। প্রথম বিভাগে পাশ করলেও যেহেতু মাত্র দুইটাতে লেটার পেলাম, অতএব সবাই বিরাট মন খারাপ করলো। পরিবারের সবাই এই সিদ্ধান্তে উপণীত হল যে, ‘আমি শেষ’! তারপর ‘পয়েন্ট তিনে’র ব্যবধানে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমার্স ফ্যাকাল্টিতে চান্স পেলামনা, ততক্ষণে আমি বুঝলাম যে, আমার পায়ের নিচের সব মাটি মোটামুটি নাড়াচাড়া করতেছে, এবং আমি অবশ্যই শেষ….!  এই খারাপ রেজাল্টটা অব্যাহত রাখলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সেমেস্টারে দুই বিষয়ে ‘এফ গ্রেড’ পেয়ে দ্বিতীয় সেমেস্টারে ওঠলাম। তবে শেষমেষ এই রেজাল্টের প্রভূত উন্নতি হয়েছে এবং অনার্সের শেষে দেখা গেল সিজিপিএ ৩ এর বেশ ওপরে। মাস্টার্সে আরো ভালো রেজাল্ট! কেমনে কী হলো, সেই প্রসঙ্গে না যাই! ভেবে দেখলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি যে কাজটা কদাচিৎ করেছি স...

হাবুর অফিস এবং জুতার গল্প । রম্য

হাবু আজ সকাল সকাল নাস্তা খেয়ে জুতা টাইট করে বেধে রওনা হলো অফিসে যাবার জন্যে । তার অফিস ১১ টায় শুরু হবে । সে তড়িঘড়ি করে বের হতে দেরী করে ফেলেছে । এখন সকাল ৭ টা বাজে । নির্ঘাত অফিসে লেট হয়ে যাবে আজ । যাই হোক তাও বের হওয়া গেছে তা নাহলে আজ আর অফিসে যাওয়াই হতো না । গত সপ্তাহে পুরোনো একজোড়া জুতার কারনেই তার অফিসে যাওয়া হয়নি । একটা বিআরটিসি বাস টার্গেট করে লাফ দিতেই জুতা আটকে গেল ম্যানহোলের ঢাকলায় । ব্যাস আর বাসটায় ওঠা গেল না । হাবলু তারপরে আশা ছাড়েনি । আরো দুই ঘন্টা ধরে রাস্তায় ছিলো কিন্তু পরের বাস গুলিকে সে তার টার্গেটে পরিনত করতে পারেনী । তখনি ডিসিশন নিয়েছে আগামি সপ্তাহেই সে নতুন বুট জুতা কিনবে । যে জুতা পরলে টার্গেট করা বাস ফসকে যাবে না । লোকে জুতার মাড়া খেয়ে সরে যাবে । সব জল্পনা কল্পনা শেষে আজ সেই শুভদিন । আজ সে বুট জুতা পরে বের হয়েছে । আজ তাকে রুখবে কে ? সবচেয়ে ভাল হতো জুতার দুপাশে দুটি করে সুচালে দাত রাখতে পারলে । তবে এখন যা আছে তাই বা কম কিসে । 'বুদ্ধিমান ব্যাক্তি আটকে থাকেনা', এই প্রবাদটি আজকে আবারো সত্যি প্রমানিত হলো । সে প্রায় আধকিলো দুর হতে দেখলো রংচটা লাল রংএর বাসটি কচ...