দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পরই আত্মহত্যা করেছিলেন সে সময়কার জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলার। শুধু তাই নয়, যৌথবাহিনীর হাতে ধরা দেবেন না বলে তিনি ও তার স্ত্রী একসঙ্গেই আত্মহত্যা হয়েছিলেন ১৯৪৫ সালে। তবে এক ইতিহাসবিদ দাবি করেছেন, ওই তথ্যটি সঠিক নয়। আত্মহত্যার নাটক করেছিলেন জার্মানির এই নাৎসিবাদী নেতা। মূলত একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে প্যারাগুয়েতে চলে গিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছিলেন হিটলার। সায়নায়েড খেয়ে তার সঙ্গেই আত্মঘাতী হন তার স্ত্রী ইভা ব্রাউন। তারপর তাদের দেহ বাঙ্কার থেকে বের করে এনে কবর দেন তার কর্মীরা। এতদিন পর্যন্ত এই ইতিহাসই জেনে এসেছে সারা বিশ্ব। নতুন ওই ইতিহাসবিদ বলছেন, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন হিটলার। ইতিহাসবিদ আবেল বাস্তি জানিয়েছেন, হিটলার কিছুতেই সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে ধরা দেবেন না, তিনি পালিয়ে যাবেন। এটাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার চুক্তি হয়েছিল। পাশাপাশি অনেক বিজ্ঞানী, সেনা সদস্য ও গোয়েন্দাও তার সঙ্গে পালাবেন বলে ঠিক হয়। হিটলারের নির্বাসন নিয়ে বাস্তির লেখা বই...
Its truefinder! and Free finder! রহস্য গল্প,রোমান্স,অবাস্তব ঘটনা,ভয়াবহ ইতিহাস,ভয়াবহ গল্প,