Skip to main content

Posts

১৯৪৫ সালে নয়, ১৯৭১ সালে মারা যান হিটলার!

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পরই আত্মহত্যা করেছিলেন সে সময়কার জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলার। শুধু তাই নয়, যৌথবাহিনীর হাতে ধরা দেবেন না বলে তিনি ও তার স্ত্রী একসঙ্গেই আত্মহত্যা হয়েছিলেন ১৯৪৫ সালে। তবে এক ইতিহাসবিদ দাবি করেছেন, ওই তথ্যটি সঠিক নয়। আত্মহত্যার নাটক করেছিলেন জার্মানির এই নাৎসিবাদী নেতা। মূলত একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে প্যারাগুয়েতে চলে গিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছিলেন হিটলার। সায়নায়েড খেয়ে তার সঙ্গেই আত্মঘাতী হন তার স্ত্রী ইভা ব্রাউন। তারপর তাদের দেহ বাঙ্কার থেকে বের করে এনে কবর দেন তার কর্মীরা। এতদিন পর্যন্ত এই ইতিহাসই জেনে এসেছে সারা বিশ্ব। নতুন ওই ইতিহাসবিদ বলছেন, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন হিটলার। ইতিহাসবিদ আবেল বাস্তি জানিয়েছেন, হিটলার কিছুতেই সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে ধরা দেবেন না, তিনি পালিয়ে যাবেন। এটাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার চুক্তি হয়েছিল। পাশাপাশি অনেক বিজ্ঞানী, সেনা সদস্য ও গোয়েন্দাও তার সঙ্গে পালাবেন বলে ঠিক হয়। হিটলারের নির্বাসন নিয়ে বাস্তির লেখা বই...

ক্যাপ্টাগন: একটি শক্তিশালী টেরোরিস্ট ড্রাগ

Captagon pills are displayed along with a cup of cocaine at an office of the Lebanese Internal Security Forces (ISF), Anti-Narcotics Division in Beirut on June 11, 2010. (Credit: JOSEPH EID/AFP/Getty Images) ২০১৫ সালের জুনে সাইফেদ্দিন রেজগুই নামে একজন টেরোরিস্ট তিউনিশিয়ার সুস বিচে ৩৯ জনকে হত্যা করে। এরপর পুলিশের গুলিতে সে নিহত হয়। ময়নাতদন্ত বা অটোপসির মাধ্যমে তার শরীরে ক্যাপ্টাগন ড্রাগের উপস্থিতি ধরা পরে। এটা একটা সিন্থেটিক ড্রাগ (ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা ড্রাগ) যা গালফ কান্ট্রিগুলোতে ব্যবহার করা হয়। সৌদি আরব, লেবানন, সিরিয়া এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশে এই ড্রাগটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। আর এই ড্রাগ উৎপাদনের প্রধান ফ্যাক্টরিটি যেই অঞ্চলে পাওয়া গেছে সেটা আজ ISIL এর দখলে। ক্যাপ্টাগন জেহাদিদের পারফরমেন্স এর উন্নতি ঘটায়, তাদেরকে কোন রকম অবসাদ ও ভয় থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। আর কোন রকম এমপ্যাথি বা আবেগকেও এটা সম্পূর্ণ নির্মূল করে দেয়। (এমপ্যাথি না থাকলে যে কেউ ঠাণ্ডা মাথায় খুন করতে পারে। সাইকোপ্যাথদের এমপ্যাথি একেবারেই থাকে না বা অনেক কম থাকে)। অন্যভাবে বললে, মানুষকে দিয়ে অমানুষিক ক...

একনায়কদের মনস্তত্ত্ব

সিআইএ একসময়ে বিশ্বের কয়েকজন নেতৃস্থানীয় একনায়কের রহস্যপূর্ণ মনের খোঁজখবর নিতে গোপন অনুসন্ধান চালিয়েছিল। তাদের সেই অবিশ্বাস্য, গোপন প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করেছেন ডেইভ গিলসন। রিডার্স ডাইজেস্টে প্রকাশিত লেখাটি ভাষান্তর করেছেন মীযানুল করীম ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত একটি গোপন গবেষণার উপসংহারে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের বড় বৈশিষ্ট্য হলো অটিজম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে তোলা পুতিনের ছবির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষকেরা। তারা দেখতে পান যে, রুশ রাষ্ট্রপ্রধানের স্নায়বিক অস্বাভাবিকতা বিদ্যমান। নেতৃস্থানীয় স্নায়ুবিজ্ঞানীরা এটাকে চিহ্নিত করেছেন অ্যাসপার্জার্স সিনড্রোম (Asperger's syndrome) হিসেবে। অটিজমঘটিত এই সমস্যা পুতিনের যাবতীয় সিদ্ধান্তকেই প্রভাবিত করেছে। অবশ্য পুতিনের মুখপাত্র এই দাবিকে নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, এ ধরনের অভিমত এমন নির্বুদ্ধিতা যে, এটা কোনো মন্তব্য করারও অযোগ্য।’ তবে রাজনীতিক ও কূটনীতিকদের পক্ষ থেকে বিদেশের নেতাদের রোগ নির্ণয়ের জন্য গোয়েন্দাদের এই প্রয়াসই প্রথম নয়। সিআইএ কর্তৃক আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের মনস্তা...

রাসূলুল্লাহ (সঃ) কেন ১১টি বিয়ে করেছিলেন, এ প্রশ্নের চমৎকার জবাব দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা

মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) ১১ টি বিয়ে করেছিলেন। ইসলামি শরীয়াহ সর্বোচ্চ ৪টি বিয়ের অনুমতি দিয়েছে। ডা: জাকির নায়েকের কাছে মুসলিম ও অমুসলিম অনেকেই উপরোক্ত প্রশ্নটি করেছেন। এই প্রশ্নের চমৎকার জবাব পবিত্র কোরআনের মাধ্যমে দিয়েছেন ডাঃ জাকির নায়েক। মুসলমানদের জন্য এই বিষয়টি জেনে রাখা খুবই জরুরী। ইসলামে যেখানে ১জন পুরুষের জন্য ৪জন স্ত্রী রাখার অনুমতি আছে, সেখানে মুহাম্মাদ (সঃ) কিভাবে ১১টা বিয়ে করলেন?  এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই। ডা: জাকির নায়েক তুলে ধরেন পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত। এই আয়াতটির বাংলা অর্থ- ‘হে নবী, আমি আপনার জন্য বৈধ করেছি আপনার স্ত্রীদেরকে যাদের আপনি দেনমোহর দিয়েছেন …আর কোন ঈমানদার নারী নবীর কাছে নিবেদন করলে আর নবী তাকে বিয়ে করতেচাইলে সে বৈধ। আর এ শুধু আপনারই জন্য, বাকী মুমিনদের জন্য নয় ‘। [সূরা আহযাব ৩৩:৫০] এই আয়াতের ব্যখ্যা দেয়া হয়েছে একেবারেই পরিস্কারভাবে। এটি জেনে রাখলে অমুসলমান ও মুসলিম ধর্মের হয়েও যারা শরীয়াহ বিষয়ে ভালো জ্ঞান রাখেন না তাদের জবাব দেয়া যাবে হাদিসে বণির্ত বিভিন্ন ব্যখ্যার মধ্যে দিয়ে- রাসূলুল্লাহ (স:) এর জন্য শারিয়াহ কিছুটা ভিন্ন ছিল নব...

স্মার্ট লোকদের জীবন কেন অশান্তির হয়?

যেকোনো পরিস্থিতিতে চটজলদি সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আছে। বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তায় সবাই আকর্ষণ করার দক্ষতা। আক্ষরিক অর্থে, যাকে স্মার্ট বলা হয়। স্মার্ট হতে কে না চান! কিন্তু জানেন কি, স্মার্ট ব্যক্তিরা আদতে দুঃখী হন? তাদের জীবনটাকে উপভোগ করতে পারেন না। হ্যাঁ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় বংশোদ্ভূত অধ্যাপক রাজ রঘুনাথনের গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য। টেক্সাস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রঘুনাথন সুখি জীবনের উপর একটি রিসার্চ করেন। তার 'A Life of Happiness and Fulfillment' ফ্রি অনলাইন কোর্সটি ইতোমধ্যেই ম্যাসিভ ওপেন অনলাইন কোর্সের শিরোপা পেয়েছে। রঘুনাথনের বক্তব্য, আপনি যদি স্মার্ট হন, তাহলে সুখি নন। জীবনটাকে চুটিয়ে উপভোগ করতে পারছেন না। নিজের থিয়োরি সম্পর্কে কী বলছেন রঘুনাথন? তিনি বলছেন, স্মার্ট ও সফল হওয়ার জন্য যে চিন্তাভাবনার স্তরটি দরকার, স্মার্ট ব্যক্তিদের মধ্যেই তা থাকলেও, আরও স্মার্ট হওয়ার জন্য যেকোনো বিষয় নিয়েই অত্যধিক গভীরে চিন্তা করার প্রবণতা থাকে। যে কোনো পরিস্থিতিকেই নিজের আয়ত্তে রাখার মরিয়া চেষ্টা করতে থাকেন তারা। তাই কোনো কিছুতেই তারা সুখি ও সন্তুষ্ট হতে পারেন না। নিজেকে স্মার্ট প্...

ঘুরে এলাম বরফে ঢাকা উইনটার রিজ পার্ক

প্রায় ২ সপ্তাহ আগে থেকেই উত্তেজনা চরমে উঠেছিল। কারণ গত ২ সপ্তাহ আগে ফেইসবুকে একটা ইভেন্ট এর খবর জানতে পারলাম। গন্তব্য হচ্ছে ফোর্ট কা’পল। আমাদের এখান থেকে রওনা দিয়ে পৌছাতে ১ ঘন্টা লাগবে। যথারীতি শুরু হল দিন গননা, সাথে কতজন যাবে এমনকি বুকিং এর ব্যবস্থা করা। যিনি এই ইভেন্টের আয়োজন করেছেন উনার সুদক্ষ নেতৃত্বে সবকিছু ভাল মতই এগিয়ে যাচ্ছিল। ইভেন্টের সময় ধরা হয়েছিল ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ, ২০১২। সেদিন শনিবার তার মানে ছুটির দিন।  আমার উত্তেজনার কারণ হল জীবনে প্রথমবার বরফের উপর দিয়ে স্কিং করবো। এতদিন বিভিন্ন সিনেমাতে এসব দেখে এসেছি। নায়ক শত্রু পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য এভাবে বরফের উপর দিয়ে স্কিং করে কিংবা বরফে চলার গাড়ি দিয়ে ছুটে যায়। তুমুল মারামারি হয়। আজ সত্যি সত্যি চোখের সামনে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাই শত বাধা সত্তেও মনের ইচ্ছেকে দমিয়ে রাখলাম না।  সকাল ১০ টায় সেখানে যাওয়ার কথা ছিল আমাদের। আর সবার একটা জায়গায় এসে রিপোর্ট করার কথা ছিল সকাল ৮ /৪৫ মিনিটে। কিন্তু সবাই আসতে আসতে অনেক দেরি করে ফেলেছিল। বাঙ্গালী সময় বলে কথা! সাড়ে ৯ টার পর রওনা দিয়েছিলাম আমরা সবাই। আমরা সব মিলে ১৯ জন গিয়েছ...

Jalal uddin rumi(R)

ইতিহাসের সর্ব শ্রেষ্ঠ আলেম হযরত মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি (র) বিসমিল্লাহ হির রাহমানির রাহিম জন্মঃ- ৬০৪ হিজরি ৬ই রবিউল আউয়াল খোরাসানের (বর্তমানে আফগানিস্থান ) বলখ রাজ্যে পর্দা গ্রহনঃ- ৬৭২ হিজরি সনের জুমাদাল ওখরা মাসের ৫ তারিখ রবিবার দিন পিতাঃ- মাওলানা বাহাউদ্দিন (র)। সমাধিঃ- তুরুস্কের কনিয়া প্রদেশে । পদবীঃ- বিশের সর্বশ্রেষ্ঠ মাওলানা,মারিফতের জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র । সংক্ষিপ্ত জীবনী ঃ- মাওলানা রুমি পিতা মাওলানা বাহাউদ্দিন ছিলেন তৎকালীন সময়ের সুলতানুল ওলামা (আলেম সমাজের রাজা), রাস্তার সামান্য ফকির থেকে শুরু করে রাজ্যের বড় প্রতাপশালী রাজা,মহারাজারা রুমির পিতাকে খুব সম্মান করতেন।শুধু রাজা বাদশাহরা নয় বড় বড় কুতুব,গাউস,আউলিয়ারা মাওলানা রুমির পিতার পায়ের মোজা খুলার জন্য সদা ব্যাকুল থাকতেন। সেই মহান আলেম হযরত মাওলানা বাহাউদ্দিন (র) এর ঘরেই জন্ম নেন ইতিহাসের বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হযরত মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি (র)।মাওলানা রুমি প্রাথমিক জীবনে সারা দিন হাদিস,তফসির ইত্যাদি ধর্ম গ্রন্থের কিতাব পাঠে সময় ব্যায় করতেন।মাওলানা রুমির আশে পাশে লক্ষ লক্ষ মুরিদান,আলেম, মুহাদ্দিস বসে থাকতেন...